বাংলাদেশকে ঘিরে নতুন আগ্রহ ইউরোপের, সম্পর্কের নতুন দিগন্ত দেখতে চায় জার্মানি
📅 June 17, 2026 | 4:08 AM
👤 admin
👁 5 views
জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা ফ্রাঙ্ক হার্টম্যান বলেছেন, বাংলাদেশকে আরও কাছ থেকে বোঝা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো এখন ইউরোপের অন্যতম অগ্রাধিকার।
মঙ্গলবার ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, জার্মান ফেডারেল ফরেন অফিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মহাপরিচালক ফ্রাঙ্ক হার্টম্যান এবং দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের প্রধান স্টিফেন কোখ ৯ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করেন।
তিন দিনের এই সফরে তারা সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী মহল, নাগরিক সমাজের সদস্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সফরের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেওয়া এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা।
জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজের উপস্থিতিতে প্রতিনিধি দল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। আলোচনায় দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের বিষয় গুরুত্ব পায়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের আগ্রহের বিষয়টিও বৈঠকে তুলে ধরা হয়। উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হিসেবে উঠে আসে। জার্মান প্রতিনিধি দল বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানায়।
জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে।
সফরকালে প্রতিনিধি দল বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গেও বৈঠক করে। সেখানে বাংলাদেশ সরকার ব্যবসা সহজীকরণ, দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং চামড়া, পাট ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে।
অর্থনৈতিক আলোচনায় ফ্রাঙ্ক হার্টম্যান বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রক্রিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এই রূপান্তর সফল করতে কাঠামোগত সংস্কার এবং রপ্তানি খাতকে আরও বহুমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সফরের অংশ হিসেবে জার্মান কর্মকর্তারা গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত ডিবিএল গ্রুপের একটি টেক্সটাইল কারখানাও পরিদর্শন করেন। সেখানে তারা তৈরি পোশাক শিল্পের উৎপাদন ব্যবস্থা, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা নেন।
জার্মান প্রতিনিধিদের এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব গড়ে ওঠার আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, জার্মান ফেডারেল ফরেন অফিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মহাপরিচালক ফ্রাঙ্ক হার্টম্যান এবং দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের প্রধান স্টিফেন কোখ ৯ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করেন।
তিন দিনের এই সফরে তারা সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী মহল, নাগরিক সমাজের সদস্য এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সফরের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেওয়া এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা।
জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজের উপস্থিতিতে প্রতিনিধি দল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। আলোচনায় দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের বিষয় গুরুত্ব পায়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের আগ্রহের বিষয়টিও বৈঠকে তুলে ধরা হয়। উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হিসেবে উঠে আসে। জার্মান প্রতিনিধি দল বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানায়।
জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বলেন, এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে।
সফরকালে প্রতিনিধি দল বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গেও বৈঠক করে। সেখানে বাংলাদেশ সরকার ব্যবসা সহজীকরণ, দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং চামড়া, পাট ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে।
অর্থনৈতিক আলোচনায় ফ্রাঙ্ক হার্টম্যান বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রক্রিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এই রূপান্তর সফল করতে কাঠামোগত সংস্কার এবং রপ্তানি খাতকে আরও বহুমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সফরের অংশ হিসেবে জার্মান কর্মকর্তারা গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত ডিবিএল গ্রুপের একটি টেক্সটাইল কারখানাও পরিদর্শন করেন। সেখানে তারা তৈরি পোশাক শিল্পের উৎপাদন ব্যবস্থা, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা নেন।
জার্মান প্রতিনিধিদের এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব গড়ে ওঠার আশা করা হচ্ছে।