গোলের সিংহাসনে নতুন সম্রাট: ফরাসি ফুটবলের ইতিহাসে এমবাপ্পের একক আধিপত্য
📅 June 17, 2026 | 3:03 AM
👤 admin
👁 2 views
২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই তিনি এমন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন, যা তাকে দেশের ফুটবল ইতিহাসে আলাদা এক মর্যাদার আসনে বসিয়েছে।
সেনেগালের বিপক্ষে দুই গোল করে জাতীয় দলের হয়ে নিজের গোলসংখ্যা ৫৮-তে উন্নীত করেছেন এই ফরোয়ার্ড। এর মধ্য দিয়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন দীর্ঘদিনের রেকর্ডধারী অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফরাসি জার্সিতে সর্বাধিক গোলদাতার তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছেন।
এ অর্জনের সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো, এমবাপ্পে এখনো ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে পৌঁছাননি। মাত্র ৯৯ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেই তিনি এই উচ্চতায় উঠেছেন। ফলে সামনে আরও বহু বছর খেলার সুযোগ থাকায় তাঁর গোলসংখ্যা কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
নিজের রেকর্ড হারিয়েও এমবাপ্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন জিরু। তাঁর মতে, বর্তমান প্রজন্মে এমবাপ্পের মতো ধারাবাহিক গোলস্কোরার খুব কমই আছে। জাতীয় দলের হয়ে শত গোলের মাইলফলক স্পর্শ করা কিংবা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড ভাঙার সামর্থ্যও রয়েছে তাঁর।
বিশ্বকাপের মঞ্চেও এমবাপ্পে নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪। ফলে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড এখন আর খুব দূরের লক্ষ্য নয়।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এমবাপ্পের ক্যারিয়ারকে শুধুমাত্র গোলের পরিসংখ্যান দিয়ে বিচার করলে ভুল হবে। বড় ম্যাচে দলের দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া, চাপের মুহূর্তে নেতৃত্ব দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতা তাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
২০১৮ সালে বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম প্রধান সদস্য ছিলেন তিনি। চার বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে পুরো ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করেন। যদিও দল শিরোপা জিততে পারেনি, তবু সেই পারফরম্যান্স তাঁর মানসিক দৃঢ়তা ও প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
প্যারিসের উপকণ্ঠের ছোট্ট শহর বন্ডি থেকে শুরু হয়েছিল তাঁর যাত্রা। খুব অল্প বয়স থেকেই পরিবার ও কোচদের বিশ্বাস ছিল, এই ছেলেটি একদিন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় নামগুলোর একটি হবে। সেই বিশ্বাস এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
কৈশোরেই মোনাকোর হয়ে রেকর্ড গড়া অভিষেক, এরপর ইউরোপের সবচেয়ে আলোচিত তরুণ ফুটবলার হিসেবে উত্থান, পিএসজিতে বিশ্বরেকর্ড ট্রান্সফার এবং পরবর্তীতে বিশ্বের সেরা ক্লাবগুলোর অন্যতম রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়া—প্রতিটি ধাপেই নিজেকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।
ফুটবলবিশ্বের অনেকের বিশ্বাস, এমবাপ্পের প্রকৃত সেরা সময় এখনও আসেনি। ব্যালন ডি’অর, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কিংবা আরও বড় ব্যক্তিগত অর্জন হয়তো সামনে অপেক্ষা করছে। তবে একটি বিষয় ইতোমধ্যেই নিশ্চিত—ফরাসি ফুটবলের ইতিহাসে গোলের রাজত্বে এখন নতুন নাম লেখা হয়েছে, আর সেই নাম কিলিয়ান এমবাপ্পে।
সেনেগালের বিপক্ষে দুই গোল করে জাতীয় দলের হয়ে নিজের গোলসংখ্যা ৫৮-তে উন্নীত করেছেন এই ফরোয়ার্ড। এর মধ্য দিয়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন দীর্ঘদিনের রেকর্ডধারী অলিভিয়ের জিরুকে এবং ফরাসি জার্সিতে সর্বাধিক গোলদাতার তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছেন।
এ অর্জনের সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো, এমবাপ্পে এখনো ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে পৌঁছাননি। মাত্র ৯৯ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেই তিনি এই উচ্চতায় উঠেছেন। ফলে সামনে আরও বহু বছর খেলার সুযোগ থাকায় তাঁর গোলসংখ্যা কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
নিজের রেকর্ড হারিয়েও এমবাপ্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন জিরু। তাঁর মতে, বর্তমান প্রজন্মে এমবাপ্পের মতো ধারাবাহিক গোলস্কোরার খুব কমই আছে। জাতীয় দলের হয়ে শত গোলের মাইলফলক স্পর্শ করা কিংবা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড ভাঙার সামর্থ্যও রয়েছে তাঁর।
বিশ্বকাপের মঞ্চেও এমবাপ্পে নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪। ফলে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড এখন আর খুব দূরের লক্ষ্য নয়।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এমবাপ্পের ক্যারিয়ারকে শুধুমাত্র গোলের পরিসংখ্যান দিয়ে বিচার করলে ভুল হবে। বড় ম্যাচে দলের দায়িত্ব কাঁধে নেওয়া, চাপের মুহূর্তে নেতৃত্ব দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতা তাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
২০১৮ সালে বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম প্রধান সদস্য ছিলেন তিনি। চার বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে পুরো ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করেন। যদিও দল শিরোপা জিততে পারেনি, তবু সেই পারফরম্যান্স তাঁর মানসিক দৃঢ়তা ও প্রতিভার পরিচয় বহন করে।
প্যারিসের উপকণ্ঠের ছোট্ট শহর বন্ডি থেকে শুরু হয়েছিল তাঁর যাত্রা। খুব অল্প বয়স থেকেই পরিবার ও কোচদের বিশ্বাস ছিল, এই ছেলেটি একদিন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় নামগুলোর একটি হবে। সেই বিশ্বাস এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
কৈশোরেই মোনাকোর হয়ে রেকর্ড গড়া অভিষেক, এরপর ইউরোপের সবচেয়ে আলোচিত তরুণ ফুটবলার হিসেবে উত্থান, পিএসজিতে বিশ্বরেকর্ড ট্রান্সফার এবং পরবর্তীতে বিশ্বের সেরা ক্লাবগুলোর অন্যতম রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়া—প্রতিটি ধাপেই নিজেকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি।
ফুটবলবিশ্বের অনেকের বিশ্বাস, এমবাপ্পের প্রকৃত সেরা সময় এখনও আসেনি। ব্যালন ডি’অর, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কিংবা আরও বড় ব্যক্তিগত অর্জন হয়তো সামনে অপেক্ষা করছে। তবে একটি বিষয় ইতোমধ্যেই নিশ্চিত—ফরাসি ফুটবলের ইতিহাসে গোলের রাজত্বে এখন নতুন নাম লেখা হয়েছে, আর সেই নাম কিলিয়ান এমবাপ্পে।