দিল্লি বিমানবন্দরে দীর্ঘ অপেক্ষা ও জটিলতার পর সফর বাতিল করে দেশে ফেরেন জাহেদ উর রহমান
📅 June 16, 2026 | 4:41 AM
👤 admin
👁 6 views
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে ঢাকা থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে দিল্লি পৌঁছান জাহেদ উর রহমান। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ। পরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য তাঁরা সংশ্লিষ্ট কাউন্টারে যান।
সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর তথ্য-উপাত্ত যাচাই করতে থাকেন। বিষয়টি লক্ষ্য করে বাংলাদেশের হাইকমিশনার কারণ জানতে চাইলেও শুরুতে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। কিছু সময় পর কর্মকর্তারা তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য, জন্মস্থান এবং পূর্বে ভারত সফরের ইতিহাস সম্পর্কে প্রশ্ন করেন।
পরবর্তী ধাপে তাঁর বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়। আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যান নেওয়ার পর তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। এভাবে প্রায় আড়াই ঘণ্টা তিনি বিমানবন্দরে অবস্থান করেন।
পরিস্থিতি অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশন বিষয়টি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে। একাধিক পর্যায়ের আলোচনার পর জানা যায়, ভারতীয় ইমিগ্রেশন সিস্টেমে জাহেদ উর রহমানের নাম একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণ তালিকায় (ওয়াচলিস্ট) প্রদর্শিত হচ্ছিল।
এই ঘটনার পর তিনি ঢাকার উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আলোচনা শেষে দিল্লিতে প্রবেশ না করে সফর বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন এবং দেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন।
এদিকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা তাঁর পাসপোর্ট ফেরত চাইলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি চাইলে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে তখন পর্যন্ত দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে।
ফলে দিল্লিতে অবস্থান না করে কলম্বো হয়ে সোমবার ঢাকায় ফিরে আসেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। পুরো ঘটনার সময় বিমানবন্দরে থাকা বিভিন্ন দেশের যাত্রী এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেই ঘটনাটির প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন।
সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর তথ্য-উপাত্ত যাচাই করতে থাকেন। বিষয়টি লক্ষ্য করে বাংলাদেশের হাইকমিশনার কারণ জানতে চাইলেও শুরুতে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। কিছু সময় পর কর্মকর্তারা তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য, জন্মস্থান এবং পূর্বে ভারত সফরের ইতিহাস সম্পর্কে প্রশ্ন করেন।
পরবর্তী ধাপে তাঁর বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়। আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যান নেওয়ার পর তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। এভাবে প্রায় আড়াই ঘণ্টা তিনি বিমানবন্দরে অবস্থান করেন।
পরিস্থিতি অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশন বিষয়টি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে। একাধিক পর্যায়ের আলোচনার পর জানা যায়, ভারতীয় ইমিগ্রেশন সিস্টেমে জাহেদ উর রহমানের নাম একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণ তালিকায় (ওয়াচলিস্ট) প্রদর্শিত হচ্ছিল।
এই ঘটনার পর তিনি ঢাকার উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আলোচনা শেষে দিল্লিতে প্রবেশ না করে সফর বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন এবং দেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন।
এদিকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা তাঁর পাসপোর্ট ফেরত চাইলে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি চাইলে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে তখন পর্যন্ত দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে।
ফলে দিল্লিতে অবস্থান না করে কলম্বো হয়ে সোমবার ঢাকায় ফিরে আসেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। পুরো ঘটনার সময় বিমানবন্দরে থাকা বিভিন্ন দেশের যাত্রী এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেই ঘটনাটির প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন।